ডিসকভারি এগ্রোটেক

সম্পাদকীয় নীতি

এই সাইটের প্রতিটি কৃষি পরামর্শ কোথা থেকে এসেছে, তা পাঠক যেন যাচাই করতে পারেন — এটিই আমাদের প্রধান সম্পাদকীয় নীতি। নিচে পদ্ধতিটি খোলাখুলি লেখা হলো।

কোন সূত্র আমরা ব্যবহার করি

কৃষিবিষয়ক প্রতিটি তথ্য সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সূত্র থেকে নেওয়া হয়:

প্রতিষ্ঠান যে বিষয়ে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সার সুপারিশ, অনুমোদিত বালাইনাশক
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ধান ছাড়া অন্য ফসল, জাত, রোগ দমন
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ধানের জাত ও চাষ পদ্ধতি
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) মাটির শ্রেণি ও উর্বরতা

সূত্রের তালিকা প্রতিটি লেখার নিচে “সূত্র” অংশে দেওয়া থাকে, সঙ্গে থাকে কোন তারিখে তথ্যটি মিলিয়ে দেখা হয়েছে।

যাচাইয়ের ধাপ

  1. প্রতিটি সংখ্যা — মাত্রা, দূরত্ব, বীজের হার, সেচের গভীরতা — নাম ধরে চিহ্নিত সূত্র থেকে নেওয়া হয়।
  2. যে সংখ্যার উৎস দেখানো যায় না, সেটি প্রকাশ করা হয় না।
  3. লেখার নিচে হালনাগাদের তারিখ দেওয়া থাকে, যাতে পাঠক বুঝতে পারেন তথ্যটি কতটা সাম্প্রতিক।
  4. যেখানে সম্ভব, একজন কৃষিবিদ লেখাটি পর্যালোচনা করেন এবং তাঁর নাম ও পদবি লেখার নিচে থাকে।

নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম

কোনো লেখায় কীটনাশক, ছত্রাকনাশক বা আগাছানাশকের নাম এলে সেখানে একটি “ব্যবহারবিধি” অংশ বাধ্যতামূলক। তাতে থাকে মাত্রা, নিরাপদ ব্যবধান, সুরক্ষা সরঞ্জাম এবং সুপারিশের সূত্র।

নিষিদ্ধ বা সীমিত বালাইনাশক আমরা কোনো অবস্থাতেই সুপারিশ করি না। অনুমোদিত তালিকার চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর — কেনার আগে স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

বিজ্ঞাপন ও স্বাধীনতা

কোন লেখা প্রকাশ হবে তা ঠিক হয় পাঠকের প্রয়োজন দেখে, কোনো বিক্রেতা বা প্রতিষ্ঠানের অনুরোধে নয়। কোনো লেখায় বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলে তা মালিকানা ও প্রকাশ পাতায় জানানো হয়।

ভুল হলে

ভুল হতেই পারে। কোনো ভুল চোখে পড়লে যোগাযোগ পাতা থেকে জানান। সংশোধন করা হলে লেখার নিচে কী বদলেছে ও কোন তারিখে, তা লিখে রাখা হয় — নীরবে বদলে ফেলা হয় না।

Scroll to Top